মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ এপ্রিল ২০১৬

একনজরে বি.সি.এস. প্রশাসন একাডেমি ।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমি ২১ অক্টোবর ১৯৮৭ তারিখে যাত্রা শুরু  করে। ১৯৭৭ সালে সিভিল অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি (COTA) হিসেবে রূপান্তরিত  হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এ একাডেমি গেজেটেড অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি  (GOTA) হিসেবে পরিচিত ছিল। সিভিল অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি এবং গেজেটেড অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি উভয়ই বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সকল ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ  কেন্দ্র  হিসেবে পরিচালিত  হত। প্রতিষ্ঠার পর কিছু সময়, এ একাডেমি কেবল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডারের নবনিযুক্ত এবং মধ্য পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ  প্রদানে নিয়োজিত ছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে পৃথক ফরেন সার্ভিস একাডেমি প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ একাডেমি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস ফরেন এফেয়ার্স ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ  প্রদানের দায়িত্ব পালন করেছে।

বি. সি. এস. প্রশাসন একাডেমি প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য শীর্ষস্থানীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। বি. সি. এস. প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের ভূমি আইন, ফোজদারি আইন, বিভিন্ন আইন ও বিধিসহ উন্নয়ন প্রশাসন, সুশাসন ব্যবস্থাপনা, সরকারি ক্রয়, তথ্য ও প্রযুক্তি, ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা, আদর্শ, মূল্যবোধ এবং দুর্নীতি দমন প্রভৃতি বিষয়ে পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রদান করা একাডেমির মূল উদ্দেশ্য। মানব সম্পদ উন্নয়নে এবং প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত নীতি প্রণয়নে সরকারকে সহায়তা করাও একাডেমির দায়িতব। এছাড়া একাডেমি কর্তৃক প্রশিক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার উপর বিভিন্ন বই, জার্নাল, গবেষণাপত্র ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়ে থাকে। একাডেমির অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ অর্জনে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।   

তিন মাস মেয়াদি (২১ অক্টোবর ১৯৮৭ হতে ৩০ জানুয়ারি ১৯৮৮) আইন ও প্রশাসন কোর্সের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ যাত্রা শুরু হয় । একাডেমির ভিশন - দক্ষ, যোগ্য ও উদ্যোগী, পেশাজীবী গণকর্মচারী গড়ে তোলার শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হওয়া এবং মিশন - কার্যকর প্রশিক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে দক্ষ, যোগ্য এবং বিচক্ষণ গণকর্মচারী গড়ে তোলা।

একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের উন্নতি নির্ভর করে মূলত: তার যথাযথ ও দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থার উপর। আর এ জন্য প্রয়োজন সময়োচিত নীতি নির্ধারণসহ কৌশলগত ব্যবস্থাপনা। বর্তমানে বি. সি. এস. প্রশাসন ক্যাডারে প্রায় ৫০০০ কর্মকর্তা রয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রত্যেককে বছরে ৬০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য সরকার কর্তৃক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বি. সি. এস. প্রশাসন একাডেমিকে প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য  সারা বছর প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসছে । ভিশন ২০২১ কে সামনে রেখে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্য প্রশাসন একাডেমি নিজস্ব করণীয় নির্ধারণপূর্বক বিরামহীন গতিতে কাজ করে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বি.সি.এস. প্রশাসন একাডেমি সুযোগ্য, অভিযোজনশীল এবং জ্ঞানভিত্তিক কর্মকর্তা তৈরি করতে সচেষ্ট। একাডেমি কর্তৃক নবীন এবং মধ্যম সারির

কর্মকর্তাদের এনালাইটিক্যাল এবং প্রাকটিক্যাল ট্রেনিং প্রদানের মাধ্যমে তাদের কর্মদক্ষতা এবং যোগ্যতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। অধিকন্তু, জ্যেষ্ট সিভিল সার্ভেন্ডদের অভিজ্ঞতা/জ্ঞান ও ধ্যান ধারণা ইত্যাদি ভাগাভাগি করারও সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে। সংক্ষেপে বলা যায়, একাডেমি শৃঙখলাবদ্ধ, দায়িত্বশীল এবং কর্তব্যনিষ্ঠ অফিসার তৈরির মাধ্যমে মানব সম্পদ উন্নয়নে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে বি.সি.এস. প্রশাসন একাডেমি প্রশাসন ক্যাডার ছাড়াও অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাগণের জন্য বুনিয়াদি প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন মেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স আয়োজন করে। ফলে এ স্বনামধন্য প্রশিক্ষণ একাডেমির উপকারভোগী শুধুমাত্র প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাগণ হলেও পরোক্ষভাবে প্রজাতন্ত্রের সকল নাগরিক এর সেবা ও সুফল পেয়ে থাকেন।

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র ও ব্যস্ততম শাহবাগ এলাকায় ২.২৩ একর ভূমির উপর প্রশাসন একাডেমির অবস্থান । এর খুব নিকটেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়  ও মেইন রাস্তার ওপারে বারডেম অবস্থিত। শুরুতে মাত্র আট জন অনুষদ সদস্য নিয়ে একাডেমি যাত্রা শুরু করে । বর্তমানে অনুষদ সদস্য ও সহযোগী কর্মচারীসহ মোট ১২০ জন জনবল নিয়ে একাডেমি তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন ক্যাডারের সচিব পদমর্যাদার একজন সম্মানিত সদস্য একাডেমির প্রধান নির্বাহী ওরেক্টরহ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন । এছাড়া একজন এম ডি এস; চারজন পরিচালক; ছয়জন উপপরিচালক; একজন প্রোগ্রামার; চারজন সহকারী পরিচালক; একজন সিনিয়র লাইব্রেরিয়ান; একজন মেডিক্যাল অফিসার; একজন গবেষণা কর্মকর্তা; একজন প্রকাশনা কর্মকর্তা ও একজন হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাসহ একটি আদর্শ প্রশিক্ষণ একাডেমির প্রয়োজনীয় অন্যান্য জনবল রয়েছে । এ প্রশিক্ষণ একাডেমি মূলতঃ চারটি প্রধান শাখা- প্রশাসন, প্রশিক্ষণ, তথ্য প্রযুক্তি এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন এর মাধ্যমে যাবতীয় কার্য নির্বাহ করে থাকে।   

প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

ক্রমিক নং

কোর্সের নাম

কোর্সের সংখ্যা

প্রশিক্ষণাথীর সংখ্যা

প্রশিক্ষণাথীর মোট সংখ্যা

পুরুষ

মহিলা

আইন ও প্রশাসন কোর্স

৯৭

৩৪৪৯

৮২০

৪২৬৯

বিশেষ আইন ও প্রশাসন কোর্স

০৫

২০৩

১৭

২১৭

অবহিতকরণ কোর্স

০৩

৭৫

৪৫

১২০

সচিবালয় কোর্স

০২

৫৩

১০

৯৫

ভুমি আইন কোর্স

০২

৫৮

-

৫৮

উচ্চতর আইন ও প্রশাসন কোর্স

৩৮

৫৭৪

১৯

৫৯৩

পররাষ্ট্র বিষয়ক কোর্স

০৪

২৯

০৩

৩২

সঞ্জীবনী কোর্স

০৬

৯১

১৩

১০৪

উপজেলা প্রশাসন ও উন্নয়ন কোর্স

১২

২৪৯

২৩

২৭২

১০

ফিটলিস্টভুক্ত ইউএনওদের ওরিয়েস্টেশন কোর্স

২১

৩৩১

৮৬

৪১৭

১১

বিশেষ উচ্চতর আইন ও প্রশাসন কোর্স

০২

৩০

০৮

৩৮

১২

দুনীতি প্রতিরোধ সহায়ক কোর্স

১৫

৩০১

৬৭

৩৬৮

১৩

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের কোর্স

০৭

১০৪

২৯

১৩৩

১৪

Public Management Course

০১

১১

০৫

১৬

 ১৫

''Masters in Public Policy and Management (MPPM)’’

০৩

৬৮

১২

৮০

১৬

উন্নয়ন প্রশাসন  ও ব্যবস্থাপনা কোর্স

১৬

৩২১

৩৫

৩৫৬

১৭

কম্পিউটার কোর্স

০৮

১৩৮

৩০

১৬৮

১৮

সরকারি ক্রয ব্যবস্থাপনা কোর্স

১৭

৩২৮

৯৪

৪২২

১৮

ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ কোর্স

০৫

১০১

২৬

১২৭

১৯

পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপেস্নামা কোর্স ইন গভর্ন্যান্স স্টাডিজ

০৫

৯০

১৮

১০৮

২০

বাংলাদেশ নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য  বুনিয়াদি কোর্স

০২

৭৯

০১

৮০

২১

দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নত প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত কোর্স

০৬

১৭৫

৩৬

২১১

২২

বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স

০৪

৮৯

৬২

১৫১

২৩

পাবলিক রিলেশন ম্যানেজমেন্ট কোর্স

০১

১৮

০৩

২১

২৪

নির্মাণ পরিদর্শন পরিবীক্ষণ প্রশিক্ষণ কোর্স

০১

১৬

০১

১৭

২৫

প্রকল্প ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কোর্স

০১

১০

০৫

১৬

২৬

জেলা প্রশাসকগণের প্রশিক্ষণ কোর্স

০১

১৫

০২

১৭

২৭

গভার্নেন্স এন্ড ইনোভেশন কোর্স

০১

২১

০৭

২৮

২৮

দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালকগণের প্রশিক্ষণ কোর্স

০১

২৯

০১

৩০

২৯

অন্যান্য কোর্স           

৩১

৬০৬

১১৮

৭৯৪

 

সর্বমোট

৩১৮

৭৬৬২

১৫৯৬

 

৯৩৫৮

 

 

ভবন সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

ক্রমিক নং

ভবনের নাম

আবাসিক কক্ষের সংখ্যা

আবাসিক কক্ষের

মোট সিট সংখ্যা

এক সিট বিশিষ্ট

দুই সিট বিশিষ্ট

  1.  

নতুন ভবন

৩৫

২৮

৩৫ + ৫৬ = ৯১

  1.  

পুরাতন ভবন

-

৩৬

৭২

সর্বমোট

১৬৩

 

কক্ষ সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

শ্রেনী কক্ষ

কম্পিউটার ল্যাব

ল্যাংগুয়েজ ল্যাব

কনফারেনস কক্ষ

অডিটোরিয়াম

আধুনিক জিম

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

খেলাধূলার সুবিধা সমূহ সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

ইনডোর সুবিধাসমূহ

ভবনের নাম

খেলার নাম

সরঞ্জামের একক সংখ্যা

নতুন ভবন

টেবিল টেনিস

কেরাম

বিলিয়ার্ড

পুরাতন ভবন

টেবিল টেনিস

কেরাম

দাবা

বিলিয়ার্ড

 

আউটডোর সুবিধাসমূহ

(ক) লন টেনিস -১

(খ) বাস্কেটবল-১

(গ) ব্যাডমিন্টন - ৩

(ঘ) ভলিবল -১

 

প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

ক্রমিক নং

প্রকল্পের নাম

প্রকল্পের মেয়াদ

সর্বশেষ পরিস্থিতি

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির সম্প্রসারিত ক্যাম্পাস (মুগারচর) স্থাপন প্রকল্প।

০১-০৭-২০১৬

হতে

৩০-০৬-২০১৯

প্রকল্পটি উন্নয়ন কর্মসূচি পুসিত্মকার সবুজ পাতায় বরাদ্দবিহীনভাবে সংযুক্ত অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায়  অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। 

“বি.সি.এস. প্রশাসন একাডেমি ভবন সম্প্রসারণ এবং প্রশিক্ষণ সুবিধাদি বৃদ্ধিকরণ” শীর্ষক প্রকল্প

০১ জুলাই ২০১৫

হতে

 ৩০ জুন ২০১৮

৫/১/২০১৬ তারিখে প্রকল্পটি অনুমোদন লাভ করেছে। প্রকল্পের সিভিল অংগের দরপত্র আহবান ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শীঘ্রই কার্যাদেশ দেয়া হবে ।   

বিল্ডিং ক্যাপাসিটি ইন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস এ্যাডমিনিস্ট্রেশন একাডেমি।

জুলাই ২০১৬

হতে

জুন ২০২১

প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে  ২৪/২/২০১৬ তারিখে পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৭/৪/২০১৬ তারিখে  বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (এসপিইসি) এর সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বর্তমানে প্রকল্পটির অনুমোদন  প্রক্রিয়াধীন ।

 


Share with :
Facebook Facebook